বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডহরশংকর গ্রামের দারুস সুন্নাহ জামে মসজিদের সভাপতি মো. রিপন হাওলাদার। তিনি জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জামাতে ইমামতি করবেন দারুস সুন্নাহ জামে মসজিদের খতিব মো. আব্দুল্লাহ।
রিপন হাওলাদার বলেন, “২০১১ সাল থেকে আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছি। শুরুতে এ নিয়ে নানা বাধার সম্মুখীন হতে হলেও বর্তমানে আর কোনো সমস্যা নেই।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সাল থেকে গ্রামের প্রায় ৫০টির বেশি পরিবার মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপন করে আসছেন। তাদের দাবি, পূর্বপুরুষদের সময় থেকেই এ ধারা চলে আসছে। বর্তমানে এটি এলাকাবাসীর কাছে একটি স্বতন্ত্র ধর্মীয় চর্চা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
ঈদ উপলক্ষে ইতোমধ্যে গ্রামজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ঘরে ঘরে তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের খাবার ও মিষ্টান্ন। ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। পরে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী কোরবানির পশু জবাই করা হবে।
দারুস সুন্নাহ জামে মসজিদের মুসল্লি গাজী রবিউল ইসলাম অনিক, সাওকাত হাওলাদার ও অলিউল্লাহ বলেন, “নবীজি (সা.) চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা ও ঈদ পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা শরিয়তের বিধান অনুযায়ী ইসলাম ধর্ম পালন করে থাকি।”
মসজিদের খতিব মো. আব্দুল্লাহ বলেন, “আমরা চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই রোজা শুরু করি এবং ঈদ উদযাপন করি। সৌদি আরবে ঈদের ঘোষণা আসার পর থেকেই আমরা প্রস্তুতি গ্রহণ করি। প্রতিবছরের মতো এবারও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে গ্রামের মুসল্লিরা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করবেন। নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা জামাতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...