বিজ্ঞাপন
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বন্দর আব্বাসে মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসী হামলার জবাব দিতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়েছে। যে ঘাঁটি থেকে বন্দর আব্বাস লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছিল, সেই ঘাঁটিকেই টার্গেট করা হয়েছে।”
এছাড়া ওয়াশিংটন যদি আবারও হামলা চালায়, তাহলে ইরানের জবাব আরও “নিখুঁত, কঠোর ও সিদ্ধান্তমূলক” হবে বলেও সতর্কবার্তা দিয়েছে আইআরজিসি।
এর আগে বুধবার গভীর রাতে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে বোমাবর্ষণ চালায় মার্কিন বাহিনী। হামলার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে ড্রোন নিক্ষেপের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ হামলা চালানো হয়।
ওই কর্মকর্তা আরও দাবি করেন, বন্দর আব্বাসে আইআরজিসির একটি ড্রোন পরিচালনা ও নিক্ষেপ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করেই মার্কিন বাহিনী হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসির ভাষ্যমতে, বন্দর আব্বাসে মার্কিন হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা জবাব দেওয়া হয়। স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে পরিচালিত ওই অভিযানে মধ্যপ্রাচ্যের একটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হলেও কোন ঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
সাম্প্রতিক এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান আরও সংঘাতমুখী হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র : এএফপি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...