Logo Logo

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট


Splash Image

অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং যমুনা সেতু ও এর সংযোগ সড়কে একাধিক গাড়ি বিকল হওয়ার ঘটনায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


শুক্রবার (৫ মে) দিবাগত রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে পৌলি পর্যন্ত এই যানজটের সৃষ্টি হয়। আকস্মিক এই যানজটের কারণে মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও চালকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, যার মধ্যে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের অতিরিক্ত চাপের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি যানবাহন বিকল হয়ে পড়ে। ত্রুটিযুক্ত এসব লক্কর-ঝক্কর যানবাহন রেকারের মাধ্যমে সরিয়ে নিতে গিয়ে বারবার যান চলাচল ব্যাহত হয়। এর মধ্যে শুক্রবার রাতে যমুনা সেতুর ৭ নম্বর পিলারের কাছে একটি বাসের পেছনে অন্য একটি বাস ধাক্কা দিলে একজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হন। ওই দুর্ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য সেতুতে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে, যা ঈদ-পরবর্তী সময়ে বাড়ি ফেরা মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দেয়।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিরুল ইসলাম জানান, সিরাজগঞ্জ অংশে মহাসড়ক বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যমুনা সেতুতে ২০ থেকে ২৫টির মতো যানবাহন বিকল হওয়ার কারণেই এই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বিকল হওয়া দূরপাল্লার যানবাহনের বেশিরভাগই ছিল ফিটনেসবিহীন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর ওপর দিয়ে মোট ৪০ হাজার ৫৮০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে সর্বমোট ৩ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ২৫০ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ১৫ হাজার ৪৪৮টি যানবাহনের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫৮ হাজার ৮০০ টাকা এবং ঢাকাগামী ২৫ হাজার ১৩২টি যানবাহনের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৮ [চারশ পঞ্চাশ] টাকা।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং রাতে সেতুর ওপর ও সংযোগ সড়কে একাধিক গাড়ি বিকল হওয়ার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে যমুনা সেতুর দুই পাশে ৯টি করে মোট ১৮টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে, যার মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা দুটি বুথ রয়েছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. জুয়েল মিয়া জানান, মহাসড়কে যানবাহনের ব্যাপক চাপ রয়েছে। তবে দ্রুত যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে হাইওয়ে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...