বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (৫ জুন) ওয়াশিংটন ডিসির ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক জন ম্যাককনেল এ রায় প্রদান করেন।
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে ওয়াশিংটনে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। ওই সিদ্ধান্তের ফলে ৩৯টি দেশের নাগরিকদের আশ্রয়, গ্রিন কার্ড, কর্মসংস্থান অনুমোদন (ওয়ার্ক পারমিট) এবং নাগরিকত্বসংক্রান্ত আবেদন দীর্ঘ সময় ধরে স্থগিত অবস্থায় ছিল।
রায়ে বিচারক জন ম্যাককনেল উল্লেখ করেন, প্রশাসনের এ পদক্ষেপ বহু অভিবাসীকে আইনি অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে এবং তাদের জীবন-জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তার মতে, জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো অভিবাসন প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছিল, যদিও অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের ব্যক্তিগত কোনো দায় বা ত্রুটি ছিল না।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে অনেক আবেদনকারী বৈধভাবে কাজ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটিয়েছেন।
অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি ছিল, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থেই এসব বিধিনিষেধ প্রয়োজনীয় ছিল। তবে আদালত এ যুক্তির সমালোচনা করে জানিয়েছে, নিরাপত্তার প্রশ্নকে সামনে রেখে দীর্ঘ সময় ধরে আবেদন প্রক্রিয়া আটকে রাখা ন্যায়সংগত হয়নি।
উল্লেখ্য, বিধিনিষেধের আওতাভুক্ত ৩৯টি দেশের অধিকাংশই আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের দেশ। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াও আংশিকভাবে স্থগিত করেছিল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...