ইনসেটে ঘাতক ছেলে মোহাম্মদ জোবাইর।
বিজ্ঞাপন
নিহত মোহাম্মদ আয়াছ রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পূর্ব ধেচুয়াপালং তেলখোলা এলাকার মৃত আমিন মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবার-পরিজনের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত ৫ জুন রাতে পারিবারিক কলহকে কেন্দ্র করে মোহাম্মদ আয়াছের তিন ছেলের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনার মধ্যে তার ছেলে মোহাম্মদ জোবাইর ওরফে জোবাইর ড্রাইভার অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে নিজের এক ভাইকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ছেলেদের থামাতে এগিয়ে আসেন বাবা মোহাম্মদ আয়াছ। তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলি তার শরীরে বিদ্ধ হয়। অভিযোগ রয়েছে, জোবাইরের ছোড়া দুটি গুলি আয়াছের পেটের নিচের অংশে লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।
গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে অভিযুক্ত জোবাইর পালিয়ে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা আহত আয়াছকে উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে রেফার করেন।
পরবর্তীতে চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দুপুর ১টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘটনার কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার কিংবা ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। তারা দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “অভিযুক্ত জোবাইরকে গ্রেপ্তার এবং ঘটনায় ব্যবহৃত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জোবাইর পলাতক রয়েছেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...