Logo Logo

গোপালগঞ্জে অবঃ পুলিশের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগ


Reporter Image

রিপন

Splash Image

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় থানা পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মীমাংসিত একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্য এবং স্থানীয় এক শালিসদারের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।


বিজ্ঞাপন


সোমবার (৮ জুন) সকাল ১১টার দিকে সদর উপজেলার লতীফপুর ইউনিয়নের ঘোষেরচর উত্তরপাড়া দিঘির পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোষেরচর উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য এবাদুল কাজীর সঙ্গে প্রতিপক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি গোঞ্জের মোল্লা, লাখু মোল্লা ও মামুন মোল্লাসহ এলাকার বিশিষ্টজনেরা একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করেন। ওই বৈঠকে গোপালগঞ্জ সদর থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই মনিরুজ্জামান ও এএসআই রহমত উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিরোধটির মীমাংসা করা হয়।

তবে ভুক্তভোগী এবাদুল কাজীর অভিযোগ, সালিশের সিদ্ধান্ত অমান্য করে সোমবার সকালে মৃত সামছুল কাজীর ছেলে মানী কাজী, তার ছেলে আক্কাস কাজী, ভাগ্নে মিলন শেখ, ফজেল কাজী ও তার ছেলে ইহসানুল কাজীসহ ১১ থেকে ১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়ির সীমানা প্রাচীর ও দেয়াল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এবাদুল কাজীর দাবি, হামলাকারীরা তার বাড়ি থেকে প্রায় সাড়ে ৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। এসব স্বর্ণালংকারের মধ্যে ছিল একটি সীতাহার, একজোড়া কানের দুল, দুটি রুশ ও একটি চেইন। এছাড়া ‘লাভ গ্রেট’ থেকে উত্তোলিত ৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকার মধ্যে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা নগদ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

এদিকে হামলার খবর পেয়ে স্থানীয় শালিসদার মামুন মোল্লা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে তার বাড়িতেও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা তার ঘরের দরজা-জানালা ভাঙচুর করে জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশ করে এবং বিছানার নিচে রাখা ৮৫ হাজার ২৩০ টাকা নিয়ে যায় বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে মামুন মোল্লার স্ত্রী রুপালি খানমের গলায় থাকা প্রায় দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদেরকে বারবার ফোন দিলেও তারা কেউ ফোন রিসিভ করেননি, তাই তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী পরিবারগুলো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...