বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৭ জুন), মঙ্গলবার (১৬ জুন) ও সোমবার (১৫ জুন) মুকসুদপুর পৌরসভার কমলাপুর,চন্ডিবর্দি ও টেংরাখোলা এলাকায় পাগলা কুকুরের কামড়ে তারা আহত হয়। এর মধ্যে কোয়ালিটি লারনার্স স্কুলে ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী লামিয়া রয়েছে। ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি গোপিনাথপুর গ্রামে।
মুকসুদপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স থেকে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও এন্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
ওই হাসপতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রায়হান ইসলাম শোভন ২৫ জনকে কুকুরে কামড়নোর তথ্য জানিয়েছেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, গত ৩ দিনে আমরা কুকুরের কামড়ে আহত ২৫ জনকে চিকিৎসা দিয়েছি। তাদের এন্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। আমাদের হাসপাতালে পর্যাপ্ত এন্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন মজুদ রয়েছে। তবে কুকুর থেকে সকলকে সাবধানে থাকতে হবে বলেও এ কর্মকর্তা পরামর্শ দেন ।
মুকসুদপুর পৌরসভার চন্ডিবর্দি এলাকার বাসিন্দা মীর হাবীবুল্লাহ বলেন, পৌরসভার সদর বাজার, কমলাপুর,চন্ডিবর্দি ও চেংরাখোলা সহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে একটি বেওয়ারিশ পাগলা কুকুর। কুকুরটি যাকে সামনে পাচ্ছে তাকেই আক্রমণ করছে। কুকুর স্কুল ছাত্রী, পথচারীকে কামড় দিয়ে শরীরে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করছে। এ নিয়ে মুকসুদপুর পৌরসভা এলাকায় পাগলা কুকুর আতংক বিরাজ করছে।
টেংরাখোলা এলাকার বাসিন্দা মুরসালিন সামস বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে পৌর এলাকার আরো অনেক মানুষ আক্রান্ত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। তাই দ্রুত কুকুরটির বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে হবে। যাতে নতুন করে আর কেউ আক্রান্ত না হয়।
মুকসুদপুর উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকার আইন করে কুকুর নিধন বন্ধ করেছে। তাই বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের কোন ব্যবস্থা আমরা বা পৌরসভা নিতে পারে না। তবে যে বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরটি কামড়িয়েছে, সেটিকে ধরে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে আসলে, আমরা চিকিৎসা দিতে পারবো।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...