বিজ্ঞাপন
এফএফডব্লিউসির প্রকাশিত বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খোয়াই, মনু ও কুশিয়ারা নদীর বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ইতোমধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জের মারকুলি এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা সংশ্লিষ্ট এলাকার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সুরমা, কুশিয়ারা ও মনু নদীর পানির স্তর আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে কুশিয়ারা ও সুরমা নদীসংলগ্ন সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ছাড়া সারিগোয়াইন, সোমেশ্বরী, যাদুকাটা এবং ভুগাই-কংস নদীর পানিও কয়েকটি স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এসব নদীসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের সাতটি জেলা বন্যাকবলিত রয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত থাকলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও আটটি জেলা বন্যার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
এদিকে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে ইতোমধ্যে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে সিলেট ও সুনামগঞ্জকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে এফএফডব্লিউসি।
বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...