বিজ্ঞাপন
দিবসটি উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৫০১ নং কক্ষে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, কোটা আন্দোলনের মাধ্যমে শুরু হলেও আমাদের তরুণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে ১৭ বছরের দুঃশাসন রুখে দিয়েছে। তাদের সেই মহান ত্যাগ ও তিতিক্ষার প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জুলাইয়ের এই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস কখনো হারিয়ে যাবে না এবং এটি নিয়ে আগামীতে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক গবেষণা হবে। এ সময় তিনি জুলাইয়ের বিপ্লবী আদর্শ ধারণ করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, দেশকে সুন্দর ও বৈষম্যহীন করে গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়েই জুলাই আন্দোলনের শহীদরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের সেই মহান ত্যাগের প্রতি আমরা চিরকাল ঋণী হয়ে থাকব। আমরা যদি আংশিকভাবেও তাদের সেই পবিত্র আদর্শ নিজেদের জীবনে ধারণ করতে পারি, তবে এই দেশ সমূলে বদলে যাবে। আমরা এখনো একটি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি এবং সেই স্বপ্ন আমাদেরই বাস্তবায়ন করতে হবে।
ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ড. মো. রাজিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য প্রদান করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের আহ্বায়ক ড. মাহাবুব হাসান, প্রক্টর ও জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সদস্য সচিব ড. এস এম আহসান, রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান এবং পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক আব্দুল্লাহ বিন কাইজার প্রমুখ।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষে বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এছাড়া বিকেলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...