Logo Logo

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠনকে নিরস্ত্রীকরণ চুক্তিতে সই 'না' করার আহ্বান আইআরজিসির


Splash Image

ছবিঃ ইন্টারনেট

গাজায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠনকে (হামাস) নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা চলাকালে সংগঠনটির নেতাদের চুক্তিতে সই না করার আহ্বান জানিয়েছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।


বিজ্ঞাপন


শুক্রবার (৩১ জুলাই) একাধিক সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস ও জেরুজালেম পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিতে সম্প্রতি তেহরান সফর করেন হামাসের একটি প্রতিনিধি দল। ওই সফরেই আইআরজিসি'র কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়। বৈঠকে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ চুক্তিতে স্বাক্ষর না করার আহ্বান জানানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

অ্যাক্সিওসের বরাতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও দাবি করেছেন, ইরান হামাসকে চুক্তি থেকে সরে আসতে রাজি করানোর চেষ্টা করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত হামাস সেই আহ্বানে সাড়া দেয়নি।ট্রাম্পের 'ঐতিহাসিক' চুক্তির ঘোষণা

এর আগে, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) স্থানীয় সময় রাতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ঘোষণা দেন, বোর্ড অব পিস, গাজায় হামাস এবং অন্যান্য সব সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে একটি 'ঐতিহাসিক' চুক্তিতে পৌঁছেছে।

ট্রাম্প লেখেন, 'আজ বোর্ড অব পিস হামাস এবং গাজার অন্যান্য সব সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে পৌঁছেছে। এটি স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার পথে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।'

কয়েক মাসের আলোচনার পর সমঝোতা

হোয়াইট হাউসের বোর্ড অব পিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা দ্য জেরুজালেম পোস্টকে জানান, হামাসের বিভিন্ন উদ্বেগ ও আপত্তি ছিল। কয়েক মাস ধরে অত্যন্ত সতর্ক ও সংবেদনশীল আলোচনার পর এ অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তারা জানান।

কর্মকর্তারা আরও বলেন, এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। তাদের অন্যতম লক্ষ্য ছিল হামাসের কাছে সরাসরি অর্থায়নের পথ বন্ধ করা।

এছাড়া গাজায় একটি কার্যকর প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলতে প্রতিদিন পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। এর অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর জন্য অর্থ সংগ্রহ, সদস্য নিয়োগ এবং হামাসের পরিবর্তে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য স্থানীয় ফিলিস্তিনি বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও চলেছে বলে জানানো হয়।

তবে হামাস বা ইরানের পক্ষ থেকে অ্যাক্সিওসের এ প্রতিবেদনের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...