বিজ্ঞাপন
এসিএল চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার পর ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকাকে নিয়ে সঙ্কা থাকলেও স্পেন জাতীয় দলকে বিশ্বজয়ের মুকুট পরিয়ে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন রদ্রি। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি গোল হজম করা স্প্যানিশ রক্ষণের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন তিনি। টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৭৫৬টি পাস সম্পন্ন করার পাশাপাশি ফাইনালে একাই ১০১টি পাস দেন এই মিডফিল্ডার। বিশ্বকাপ ট্রফির পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের 'গোল্ডেন বল' জিতে নেওয়া রদ্রি ইতিহাসের মাত্র চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ, ইউরো, ইউরোপিয়ান কাপ ও ব্যালন ডি’অর জয়ের অনন্য রেকর্ডের দোড়গোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন।
ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে ৬৪ ম্যাচে ৭৩ গোল করে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় লিওনেল মেসির (২০১১-১২ মৌসুমে ৮২ গোল) ঠিক পরেই জায়গা করে নিয়েছেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে বুন্দেসলিগা, ডিএফবি-পোকাল ও জার্মান সুপারকাপ জেতার পাশাপাশি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে গ্যারি লিনেকারকে টপকে দেশের সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলদাতা হয়েছেন তিনি। ট্রফি খরা কাটিয়ে এবার ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে শক্ত অবস্থানে কেইন।
কুড়ি বছর ছোঁয়ার আগেই ইউরো ও বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা এবং দুটিই জয়ের অভূতপূর্ব রেকর্ড গড়েছেন স্প্যানিশ ওয়ান্ডারকিড লামিনে ইয়ামাল। বার্সেলোনার হয়ে লা লিগা ও সুপারকোপা জয়ের পর স্পেনের বিশ্বজয়েও তিনি রেখেছেন অসামান্য ভূমিকা। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট সামলে টুর্নামেন্টজুড়ে তার ড্রিবলিং ও আক্রমণ প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে গুঁড়িয়ে দেয়। গতবারের রানার্সআপ ইয়ামাল এবার বর্ষসেরার ট্রফি জয়ে দারুণ দাবিদার।
বিশ্বকাপে ফ্রান্স চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও ব্যক্তিগত অর্জনে অনন্য ছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জেতেন তিনি। বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২-এ, যা পেছনে ফেলেছে লিওনেল মেসিকেও। ক্লাব ফুটবলে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেও বড় কোনো দলগত ট্রফি না থাকা তার ব্যালন ডি’অর জয়ের পথে প্রধান বাধা হতে পারে।
বিশ্বকাপের ফাইনালে হারলেও পুরো টুর্নামেন্টে লিওনেল মেসির রাজত্ব ছিল দেখার মতো। প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিক থেকে শুরু করে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তোলার পথে গোল ও অ্যাসিস্টের ঝড় তোলেন ৩৯ বছর পার করা এই ফুটবলের জাদুকর। মেজর লিগ সকারে (MLS) খেলা সত্ত্বেও এবং বিশ্বকাপ ফাইনালে হেরেও ৩৯ বছর বয়সে পা দেওয়ার মুহূর্তে ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকাটাই প্রমাণ করে মেসির অবিসংবাদিত শ্রেষ্ঠত্ব।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...