Logo Logo

গোপালগঞ্জ শহরে গভীর রাতে বিদ্যুতের তার চুরি, আতঙ্কে এলাকাবাসী


Splash Image

গোপালগঞ্জ শহরের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় হঠাৎ বিদ্যুতের তার চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ঘন ঘন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় চরম ভোগান্তির পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


বিদ্যুতের তার চুরির শিকার এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে শহরের নবীনবাগ, পাঁচুড়িয়া, মার্কাজ মহল্লা, শিশুবন রোড ও মিয়াবাড়ি। স্থানীয়দের অভিযোগ, গভীর রাতে চোরেরা বিভিন্ন বাড়িঘর ও বিদ্যুতের খুঁটি থেকে সংযোগ লাইনের তার কেটে নিয়ে সটকে পড়ছে।

বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যার পর পথঘাট ফাঁকা হয়ে এলে এসব এলাকায় অপরিচিত ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ঘোরাফেরা বাড়তে দেখা যায়। পরবর্তীতে সকালে ঘুম থেকে উঠে বিভিন্ন বাড়ির বিদ্যুতের লাইন কাটা অবস্থায় পাওয়া যাচ্ছে। রাত গভীর হলেই চোরচক্রের এমন তাণ্ডবে এলাকাবাসীর দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

সচেতন মহল ও বাসিন্দাদের মতে, জীবন্ত তার কাটার সময় যেমন চোরদের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে, তেমনি কাটা তার রাস্তায় কিংবা বাড়ির আশপাশে ঝুলে বা পড়ে থাকলে সাধারণ পথচারীরাও বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন। ফলে বিষয়টি কেবল চুরির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে জননিরাপত্তার জন্য এক মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্কাজ মহল্লার এক বাসিন্দা জানান, রাত নামলেই এখন নিরাপত্তার চিন্তায় ঘুম আসে না। কখন কার ঘরের সংযোগ তার কেটে নিয়ে যায়, তা নিয়ে সবাই সার্বক্ষণিক ভীতি ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

বিদ্যুৎ সংযোগ সচল রাখা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবীনবাগ, পাঁচুড়িয়া, শিশুবন রোড ও মিয়াবাড়ি এলাকার অধিবাসীরা রাতে পুলিশি টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ওপর নজরদারি বৃদ্ধি এবং চুরি হওয়া ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে চোরচক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জোরালো পদক্ষেপ ও নিয়মিত টহলের পাশাপাশি স্থানীয়দেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সচেতন নাগরিকেরা। কোনো এলাকায় সন্দেহভাজন লোক দেখা গেলে নিজেরা আইন হাতে না তুলে দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় তথ্য দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত চোরচক্রকে গ্রেপ্তার করে এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে প্রশাসন—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...