বিজ্ঞাপন
লুইস আর্মস্ট্রং স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথম সেটে যখন সাবালেঙ্কা ৩–০ ব্যবধানে এবং নিজের সার্ভিসে ৩০–০ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন, ঠিক তখনই গন্ধের তীব্রতা মাত্রাতিরিক্ত রূপ নেয়। অস্বস্তি কাটাতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে চেয়ার আম্পায়ার এভা আসদেরাকি-মুরের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে সাবালেঙ্কা আম্পায়ারকে স্পষ্ট জানান, গ্যালারিতে বা আশেপাশে কেউ একজন গাঁজা সেবন করছে এবং এর তীব্র কটু গন্ধের কারণে মনোযোগ ধরে রেখে খেলা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ছে। অভিযোগ পাওয়ার পর আম্পায়ার তৎক্ষণাৎ ওয়াকিটকিতে টুর্নামেন্ট অফিশিয়ালদের জানান এবং কোর্ট নিরাপত্তারক্ষীদের ধূমপান তদারকির নির্দেশ দেন।
ম্যাচে সহজ জয় পেলেও সংবাদ সম্মেলনে গাঁজার গন্ধ নিয়ে নিজের হতাশা লুকাননি সাবালেঙ্কা। হাসিমুখে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, সমর্থকদের ব্যক্তিগত উদযাপনে তাঁর আপত্তি নেই, তবে কোর্টের পাশে ধূমপান করা কখনোই কাম্য নয়। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টুর্নামেন্টে সেরা খেলাটা দেওয়ার মুহূর্তে এমন তীব্র গন্ধ সহ্য করা অত্যন্ত কঠিন। বাতাসে বাইরের গন্ধ ভেসে এসেছে নাকি গ্যালারি থেকে গন্ধ ছড়িয়েছে, তা নিশ্চিত না হলেও কোর্টের পরিবেশ ধূমপানমুক্ত রাখার জোর দাবি জানান এই শীর্ষ তারকা।
নিউইয়র্ক রাজ্যের আইন অনুযায়ী ২১ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তিদের জন্য গাঁজা সেবন বৈধ হলেও ইউএস ওপেনের ভেন্যু ফ্লাশিং মিডোসের বিলি জিন কিং ন্যাশনাল টেনিস সেন্টারের সীমানায় ধূমপান পুরোপুরি নিষিদ্ধ। তবে স্টেডিয়াম সংলগ্ন কোরোনা পার্কে মানুষের খোলামেলা গাঁজা সেবনের কারণে বাতাসের সাথে সেই ধোঁয়া ও তীব্র গন্ধ প্রায়শই স্টেডিয়ামের ভেতরে প্রবেশ করে।
ইউএস ওপেনে গাঁজার কটু গন্ধ নিয়ে খেলোয়াড়দের ক্ষোভ প্রকাশের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। ফ্লাশিং মিডোসে গত কয়েক আসর ধরেই এটি একটি নিয়মিত বিতর্কে পরিণত হয়েছে। চলতি আসরেই ব্রিটিশ তারকা কেটি বোল্টার, হ্যারিয়েট ডার্ট ও ফ্রান্সেসকা জোন্স গাঁজার গন্ধের কারণে মনসংযোগ নষ্টের কড়া অভিযোগ তুলেছেন। এমনকি অতীতের বিভিন্ন আসরে নোভাক জোকোভিচ ও আলেক্সান্দার জভেরেভের মতো মহাতারকাদেরও ফ্লাশিং মিডোসের কোর্টে গাঁজার তীব্র গন্ধ নিয়ে অসন্তোষ ও ম্যাচ চলাকালীন বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...