বিজ্ঞাপন
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
আটক দুই যুবক হলেন—কাশিয়ানী উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের ছোট পারুলিয়া গ্রামের বাদশা খানের ছেলে হারুন অর রশিদ খান (৩৮) এবং একই ইউনিয়নের তিতাগ্রামের লিয়াকত মোল্যার ছেলে রবিউল ইসলাম (৩২)। তারা নিজেদের ‘দৈনিক স্বাধীন কাগজ’ পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন। আটকের পর তাদের কাছ থেকে ওই পত্রিকার দুটি পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, ঘোনাপাড়া বাজারের পল্লী ডেন্টাল চিকিৎসক সাধন বিশ্বাসের চেম্বারে গিয়ে ওই দুই যুবক তার সনদপত্র দেখতে চান। একপর্যায়ে তারা সনদটি ভুয়া বলে দাবি করে চিকিৎসকের কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা চান। টাকা না দিলে ভিডিও ধারণ করে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
বিষয়টি চিকিৎসক সাধন বিশ্বাস বাজারের ব্যবসায়ীদের জানালে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন। এ সময় হারুন অর রশিদ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। পরে রবিউল ইসলামকেও আটক করে দুজনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
পল্লী ডেন্টাল চিকিৎসক সাধন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘ওই দুই ব্যক্তি আমার চেম্বারে এসে দৈনিক স্বাধীন কাগজ পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আমার সনদপত্র দেখতে চান। তারা আমার সনদপত্র ভুয়া বলে দাবি করেন। একপর্যায়ে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে ভিডিও ধারণ করে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেন। পরে বিষয়টি বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতিসহ স্থানীয়দের জানালে তারা এসে দুজনকে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়।’
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে স্থানীয়রা দুই ব্যক্তিকে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...