বিজ্ঞাপন
নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী, পিএসসি রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে দৈনিক ভোরের বাণীকে এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ৩১ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা প্রায় ৯২ কিলোমিটার। বিশাল এই সীমান্ত পাহারায় বর্তমানে রয়েছে মাত্র ১৫টি বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট (বিওপি)। দুর্গম এলাকা, প্রয়োজনীয় জনবল, লজিস্টিক সহায়তা ও পর্যাপ্ত রাস্তাঘাটের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বিজিবি সদস্যরা দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পুশ-ইন, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালানসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ৩১ বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেও বিজিবি সদস্যরা কাজ করছেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিদেশি মদ, বিয়ার, ফেনসিডিল, গাঁজা, ইয়াবা, ইস্কাফ সিরাপ ও ট্যাপেন্ডাডলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা মাদকের মধ্যে রয়েছে ২ হাজার ৯৮৬ বোতল বিদেশি মদ, ৬০ বোতল বিয়ার ক্যান, ২৪০ বোতল ফেনসিডিল, ২৫০ গ্রাম গাঁজা, ৪২৮ পিস ইয়াবা, ৪৯ বোতল ইস্কাফ সিরাপ এবং ৮৪ পিস ট্যাপেন্ডাডল। এসব মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪৮ লাখ ২৩ হাজার ৪২০ টাকা।
এ ছাড়া একই সময়ে বিপুল পরিমাণ গরু, চিনি, কম্বল, জিরা, সুপারি, ওষুধ, বাঁশ, কয়লা, চিপস, কেমিক্যাল, শাড়ি, লেহেঙ্গা ও বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ কোটি ৪৪ লাখ ২৩ হাজার ৬৪০ টাকা।
সব মিলিয়ে আট মাসে জব্দ করা চোরাচালান পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ কোটি ৯২ লাখ ৫৭ হাজার ৫৬০ টাকা।
৩১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী বলেন, সীমান্তে চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এ তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...