ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে পানি বাড়তে বাড়তে ১১ সেপ্টেম্বর নাগাদ তা বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যায়। এর ফলে সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত সাড়ে তিন হাজার পরিবার এখনও পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে।
চলমান বন্যায় দুই উপজেলার ২৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং ১৩০ দশমিক ৪০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি প্লাবিত এলাকাগুলোতে ডায়রিয়া ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, পদ্মার পানি দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে এবং আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে মহানন্দা ও পূনর্ভবার পানিও কমতে শুরু করবে। ফলে বন্যাকবলিত নিম্নাঞ্চলীয় এলাকাগুলোর পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...