Logo Logo

চাটখিলে স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সোহেল গ্রেফতার


Splash Image

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের স্থানীয় এক শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মো. সোহেল হোসেন (৪০)। তিনি উপজেলার ৩ নম্বর পরকোট ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এবং এলাকার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে চিহ্নিত।


বিজ্ঞাপন


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে চাটখিল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল পরকোট ইউনিয়নের মুন্সী রাস্তা এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে সোহেলকে আটক করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত সোহেল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে এলাকায় একটি শক্তিশালী মাদক চোরাচালান সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন। চাটখিলসহ আশপাশের অঞ্চলে নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট সরবরাহ ও কেনাবেচার মূল নিয়ন্ত্রক ছিলেন তিনি। মাদক ব্যবসার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও রাষ্ট্রবিরোধী প্রপাগান্ডা ছড়ানোর সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পদ-পদবি ব্যবহার করে সোহেল ও তার সহযোগীরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। তরুণ সমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দেওয়ার পাশাপাশি সরকারবিরোধী গোপন বৈঠক ও নাশকতার পরিকল্পনায় তার সক্রিয় সম্পৃক্ততা ছিল।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত মাদক কারবারি ও নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা সোহেল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকার সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।" আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান তিনি।

চাটখিল থানা পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এলাকায় সক্রিয় অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ী, পলাতক অপরাধী এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...