বিজ্ঞাপন
আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং দেশে জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়াকে মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখিয়েছে কোম্পানিগুলো। তবে প্রস্তাবে এখনো সম্মতি দেয়নি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে নতুন দাম নির্ধারণের প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। গত ১৩ অক্টোবর পাঠানো চিঠিতে ২৫ অক্টোবর থেকে নতুন দাম কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছিল।
চিঠিতে সংগঠনটির নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম মোল্লা উল্লেখ করেন, গত ছয় মাস ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। প্রতি টন ভোজ্যতেলের দাম ১ হাজার ৩০০ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৩২৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের বর্তমান দর এবং উৎপাদনসহ অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রায় ২৩৩ টাকা হওয়া উচিত বলেও দাবি করেছে সংগঠনটি।
কোম্পানিগুলোর দাবি, গত ২ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ দাম সমন্বয়ের সময় সরকার দ্রুত আবারও মূল্য পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু এরপর দাম সমন্বয় না হওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েও তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হচ্ছে তাদের।
সংগঠনটির আশঙ্কা, দ্রুত দাম সমন্বয় না হলে বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হতে পারে। এতে আসন্ন রমজানে তেলের সরবরাহ ও প্রাপ্যতা নিয়ে সংকট তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তখন এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এবার নতুন প্রস্তাব অনুমোদন পেলে বোতলজাত ও খোলা; উভয় ধরনের সয়াবিন তেলের দাম বাড়বে। তবে এ বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...