বিজ্ঞাপন
সংবাদসূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার কুমিল্লার আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করা হয়। অভিযুক্তরা হলেন— মো. সোহাগ, ইসমাইল হোসেন জনি, এমরান হোসেন ওরফে হৃদয়, রাহাত হোসেন জুয়েল এবং মো. সুজন। আদালত অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করে পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমের জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রেরণ করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল চট্টগ্রামে প্রশিক্ষণ শেষে কুমিল্লায় ফেরার পথে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন বুলেট বৈরাগী। পরবর্তীতে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের মা লিলিমা বৈরাগী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পুলিশি তদন্তে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে তথ্য উঠে এসেছে।
এদিকে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন বুলেট বৈরাগীর স্ত্রী উর্মি হীরা, ছোট সন্তান এবং বৃদ্ধ মা-বাবা। উর্মি হীরার অভিযোগ, ঘটনার পর সরকারি সহায়তা ও চাকরির আশ্বাস দেওয়া হলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। এমনকি কাস্টমস বিভাগ থেকে প্রাপ্য আর্থিক সুবিধাদিও তাঁরা এখনো পাননি।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দ্রুত তাঁদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা ও চাকরির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হোক।
নোট: এ প্রতিবেদনের তথ্য হিন্দুস নিউজে প্রকাশিত সংবাদ এবং বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলার আগের সংবাদ প্রতিবেদনগুলোর ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে। চার্জশিট দাখিলের বিষয়টি আদালতের নথিভুক্ত প্রক্রিয়ার অংশ এবং অভিযোগপত্র দাখিল করা মানেই আসামিদের অপরাধ আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হওয়া নয়। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...