বিজ্ঞাপন
সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা ২৫ মিনিটে আমতলী উপজেলার ২ নম্বর কুকুয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চুনাখালী এলাকার সাকিনের বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই বিকাশ কর্মকারের নেতৃত্বে এসআই মো. মঞ্জুরুল হাসান ও এসআই রাজিব হাওলাদারসহ ডিবির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নারী কনস্টেবল কমা আক্তারের সহায়তায় মোসা. কহিনুর (৪০) নামের এক নারীকে আটক করা হয়।
পরে যৌথ অভিযানে মো. সেলিম প্যাদাকে (৫৫) আটক করা হয়। তবে এ ঘটনায় জড়িত আরও একজন পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, আটক কহিনুরের পরিহিত কাপড়ের ভেতর থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বসতঘরের রান্নাঘরে লুকিয়ে রাখা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে আরও ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
সব মিলিয়ে অভিযানে ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা।
এ ছাড়া ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ব্যাগ, প্যাকেট তৈরির সরঞ্জাম ও অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, পলাতক আসামি মো. সবুজ মৃধা (৩২), পিতা শামসুর মৃধা, আমতলীর আমড়াগাছিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকারি দরে ইয়াবা সংগ্রহ করে আটক কহিনুরের ঘরে মজুত রাখতেন। পরে সেখান থেকে বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারি দরে বিক্রি করা হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় আটক দুই আসামি মোসা. কহিনুর ও মো. সেলিম পাদার বিরুদ্ধে এবং পলাতক আসামি মো. সবুজ মৃধার সংশ্লিষ্টতায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী আমতলী থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা, পিপিএম-সেবা জানান, জেলাকে মাদকমুক্ত করতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...