বিজ্ঞাপন
গত ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন ৪ নভেম্বর প্রকাশিত নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) ও উচ্চকক্ষ সিনেটে বড় ধরনের জয় পেয়েছেন বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থীরা।
নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বুধবার বিকেলে প্রথমবারের মতো সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ সময় তিনি হোয়াইট হাউসের লনে নির্মাণাধীন নিজের নতুন প্রকল্প ‘বলরুম’ ঘুরিয়ে দেখান এবং প্রায় ২০ মিনিট ধরে প্রকল্পটি সম্পর্কে কথা বলেন। তবে আগের রাতে সারা দেশে রিপাবলিকানদের বড় ধরনের পরাজয়ের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
ইরানে সামরিক অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির মতামত উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ট্রাম্প। একইভাবে ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসনবিরোধী অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রেও বেশিরভাগ সময় বিরোধী দলের মতামতকে গুরুত্ব দেননি তিনি।
বুধবার সাংবাদিকরা ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতারা তাকে অভিশংসনের উদ্যোগ নিতে পারেন—এমন আশঙ্কা নিয়ে তিনি চিন্তিত কি না।
জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বিন্দুমাত্র চিন্তিত নই। বরং আমার মনে হয়, তারা যদি এমনটা করে—অর্থাৎ কোনো কারণ ছাড়াই অভিশংসনের উদ্যোগ নেয়, তাহলে তাতে ডেমোক্রেটিক পার্টিই ধ্বংস হয়ে যাবে। কিসের জন্য? একটি সফল দেশ গড়ে তোলার জন্য? আমাদের দেশ এখন তার ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সফল।’
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচনী পরাজয় নিয়েও প্রশ্ন করা হয় ট্রাম্পকে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি যদি ব্যালটে থাকতাম, তাহলে জয়ী হতাম। নির্বাচনের আগে আমি যেসব জনসভা করেছি, সেখানে সমর্থকদের কাছ থেকে প্রচুর ভালোবাসা পেয়েছি। কিন্তু সেই ভালোবাসা আমরা প্রার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে পারিনি।’
তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগের রাতে, মঙ্গলবার গভীর রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ডেমোক্রেটিক পার্টিকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন ট্রাম্প।
সেখানে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘ডেমোক্র্যাটদের অভিনন্দন। তারা ভালো কাজ করেছে। ১১ বছর ধরে তারা এই জয়ের অপেক্ষায় ছিল। অবশেষে তারা তা পেয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা ভালো করেছে।’
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...