বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল আই২৪ ও জর্ডানভিত্তিক রোয়া নিউজের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।
চ্যানেল আই২৪ জানিয়েছে, ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গাজা সিটির দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন সেনারা। এসময় হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেডের তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে তারা।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত আইডিএফ (ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স) ও আল-কাসাম ব্রিগেডের মধ্যে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে গুরুতর বলে উল্লেখ করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো।
তবে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী সংবাদমাধ্যমগুলোকে সংঘাতসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আইডিএফ জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
এদিকে নিখোঁজ ইসরায়েলি সেনারা হামাসের হাতে বন্দি হয়েছে কি না— তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। শনিবার দুপুরে টেলিগ্রামে পোস্ট করা এক বার্তায় আল-কাসাম ব্রিগেডের শীর্ষ কমান্ডার আবু উবেইদা বলেন, “যারা ভুলে যায় তাদের আমরা স্মরণ করিয়ে দিই— মৃত্যু অথবা বন্দিদশা।”
নিজের বার্তায় তিনি সংঘাতক্ষুব্ধ গাজা সিটির কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইসরায়েল যদি সম্পূর্ণ গাজা দখলের পরিকল্পনা ত্যাগ না করে, তবে তা ইসরায়েলি সরকার ও সামরিক নেতৃত্বের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে আনবে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে গাজার যেসব এলাকায় সংঘর্ষ চলছে, সেখানে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের পাশপাশি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামলার সময় বন্দি করা ইসরায়েলি জিম্মিরাও রয়েছেন।
আবু উবেইদা সতর্ক করে বলেন, “যদি এই সংঘাতে কোনো ইসরায়েলি জিম্মি নিহত হয়, তাহলে ওই জিম্মির নাম-পরিচয় আমরা প্রকাশ করব এবং হত্যার দায় সম্পূর্ণ ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর বর্তাবে।”
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার থেকে গাজা সিটি সম্পূর্ণ দখলে নিতে নতুন অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। অভিযানের আগে আইডিএফ গাজাকে ‘বিপজ্জনক সংঘাতপূর্ণ এলাকা’ ঘোষণা করে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...