বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, জেলার নীলফামারী ও সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশন, ফুটপাত ও বাসটার্মিনাল এলাকায় অবস্থানরত ছিন্নমূল মানুষ এবং তিস্তার চরাঞ্চলে বসবাসকারী শীতার্তদের জন্য ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধানে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে হঠাৎ পরিদর্শনের মাধ্যমে সেবার মান যাচাই এবং অনিয়ম রোধে কঠোর বার্তা দিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে তদারকি, সাধারণ মানুষের জরুরি অভিযোগ তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি এবং সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগে সক্রিয় উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিকতার দৃষ্টান্ত রাখছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রশাসনের উচ্চ পদে থেকেও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাদের সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং শুধু আশ্বাস নয়, বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণ করেন। শহরের একজন বয়স্ক নাগরিক তসলিম উদ্দিন বাবু বলেন, “তিনি শুধু অফিসে বসে থাকেন না, মানুষের মাঝে আসেন। এমন জেলা প্রশাসক আগে পাইনি।”
জেলার শিক্ষা সহায়তা, সামাজিক কার্যক্রম এবং দুস্থ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে অনুপ্রাণিত করছে। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে জেলা প্রশাসক হিসেবে নয়, বরং একজন মানবিক নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবেই তিনি জেলার মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “আমি প্রশাসক হিসেবে নয়, মানুষের সেবক হিসেবেই কাজ করতে চাই। নীলফামারীর প্রতিটি মানুষের সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।”
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এই মানবিক ও কর্মমুখী প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে নীলফামারী জেলা উন্নয়ন ও জনবান্ধব প্রশাসনের একটি জাতীয় উদাহরণ হিসেবে সারা দেশে প্রশংসিত হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...