বিজ্ঞাপন
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগরের সিও বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মশিউর রহমান দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ডিমলা পিআইও কার্যালয়ে কার্য সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মামলার বিবরণ ও সূত্র জানায়, গত ২৪ ডিসেম্বর থেকে ২৮ ডিসেম্বরের মধ্যে মশিউর রহমান কৌশলে বিপুল পরিমাণ এই অর্থ আত্মসাৎ করেন। তিনি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে অনুমোদিত বিভিন্ন প্রকল্পের বিল উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে পাস করিয়ে নেন। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প চেয়ারম্যানদের স্বাক্ষর জাল করে সোনালী ব্যাংক ডিমলা শাখা থেকে দুই দফায় মোট ৩০ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা উত্তোলন করেন। উত্তোলিত এই টাকা সরকারি কোষাগারে বা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে জমা না দিয়ে তিনি আত্মসাৎ করে গা ঢাকা দেন।
ঘটনার পর থেকে মশিউর অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন এবং তার সাথে যোগাযোগের সকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এ ঘটনায় ডিমলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে ডিমলা থানায় একটি প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই আসামিকে ধরতে অভিযানে নামে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
র্যাব-১৩ রংপুরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে র্যাব-১৩ ও সিপিসি-২ নীলফামারীর একটি চৌকস দল রংপুর মহানগরের সিও বাজার এলাকার মামুনুর রশিদের বাসায় অভিযান চালায়। সেখান থেকেই আত্মগোপনে থাকা মশিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মশিউরকে ডিমলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...