বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এ সময় প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারী-৪ আসন থেকে মোট ১২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল থাকায় চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদন বাতিল করা হয়। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন— রিয়াদ আরফান সরকার রানা, মামুন অর রশিদ মামুন, শাহরিয়ার ফেরদৌস এবং জোবায়দুর রহমান।
অন্যদিকে, নির্বাচনী লড়াইয়ে টিকে থাকা বৈধ ৮ প্রার্থী হলেন— মো. আব্দুল গফুর সরকার (বিএনপি), আব্দুল মুনতাকিম (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. শহিদুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মির্জা মো. শওকত আকবর রওশন (বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি), মো. জয়নাল আবেদীন (জাতীয় পার্টি), মো. মাইদুল ইসলাম (বাসদ-মার্কসবাদী), নুর মোহাম্মদ (এলডিপি) ও মো. সিদ্দিকুল আলম (জাতীয় পার্টি)।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান সংবাদমাধ্যমকে জানান, যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে, তারা চাইলে নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবেন।
উল্লেখ্য, নীলফামারী-৪ আসনটি সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত। উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জাতীয় পার্টি ও বিএনপির শক্ত অবস্থান থাকায় এবারের নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে ধারণা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বৈধ প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর প্রতীক বরাদ্দ পেলে এ আসনে প্রচার-প্রচারণা আরও জমে উঠবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...