বিজ্ঞাপন
রোববার (৪ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়।
আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট মাদুরোর অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রে যেন কোনো ধরনের প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি না হয়, সেজন্যই ডেলসি রদ্রিগেজকে সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সরকার পরিচালনার বৈধতা বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ জরুরি বলে মনে করছে আদালত। এছাড়া, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোন আইনি কাঠামোর অধীনে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে, তা নিয়ে উচ্চ আদালত আরও বিস্তারিত পর্যালোচনা ও আলোচনা করবে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে, ভেনেজুয়েলার এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যেই মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ডেলসি রদ্রিগেজ যদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, তবে দেশটিতে সরাসরি মার্কিন সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না।
নিউইয়র্ক পোস্টের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “আমরা তার (ডেলসি রদ্রিগেজ) সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছি। তিনি উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং আমাদের অবস্থান বুঝতে পারছেন।” ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে, রদ্রিগেজ ইতিমধ্যে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন।
নিকোলাস মাদুরো আটক হওয়ার পর থেকেই ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে—তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জল্পনা ও আলোচনার সৃষ্টি হয়। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, ওয়াশিংটন রদ্রিগেজের নেতৃত্বকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিনিময়ে দেশটিতে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ এড়াতে চায়।
বর্তমানে ভেনেজুয়েলার সাধারণ মানুষের নজর এখন সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ এবং রদ্রিগেজ প্রশাসনের ওপর মার্কিন প্রভাবের প্রভাবের দিকে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...