বিজ্ঞাপন
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এসব দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধন শেষে পরীক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বরাবর একটি লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নোয়াখালী সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য সহকারী পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতে না নিয়ে লিখিত আকারে গ্রহণ করা হয় এবং পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রের সঙ্গে উত্তরপত্র সরবরাহ করে লিখিতভাবে উত্তর দিতে বলা হয়। এতে প্রায় আট হাজার পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার মাত্র ১১–১২ ঘণ্টার ব্যবধানে একই দিন রাতেই সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়, যা একটি লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক এবং সন্দেহজনক। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যে জানা যায়, পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও কয়েকজনের রোল নম্বর চূড়ান্ত ফলাফলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পরীক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমির সঙ্গে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠতার সুযোগে সুবিধাভোগী প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। এমনকি বিপুল অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার কথাও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষার্থীরা ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ, অভিযুক্ত সিভিল সার্জনকে অন্যত্র বদলি এবং তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমির মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এছাড়া অফিসে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...