বিজ্ঞাপন
করাচি পুলিশ ও উদ্ধারকারী সংস্থা রেসকিউ ১১২২ নিহতের সংখ্যা পাঁচ বলে নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। করাচির সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মরদেহগুলো দগ্ধ ও শ্বাসকষ্টজনিত কারণে মৃত্যু হওয়া অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।
প্রায় ১ হাজার ২০০ দোকান বিশিষ্ট এই শপিং মলে ক্রোকারিজ, পোশাক ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। রোববার ভোর পর্যন্ত আগুনের মাত্র ৩০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অগ্নিনির্বাপণ কাজে বিভিন্ন সংস্থার অন্তত ২০টি ইউনিট একযোগে কাজ করছে।
উদ্ধারকারী কর্মকর্তাদের মতে, আগুনের তীব্রতাপে পুরোনো এই ভবনের একটি অংশ ইতোমধ্যে ধসে পড়েছে। যেকোনো সময় পুরো কাঠামো ধসে পড়ার আশঙ্কায় অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিচতলার একটি দোকানের শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত।
ঘটনার পর সিন্ধুর গভর্নর কামরান তেসোরি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে দ্রুত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। সিন্ধুর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জিয়াউল হাসান লঞ্জার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
উদ্ধার কাজে সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে সিন্ধ রেঞ্জার্স মোতায়েন করা হয়েছে। তারা ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে এবং ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত করতে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে। আগুনের কারণে ওই সড়কের যান চলাচল বিকল্প পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবারও করাচি পোর্ট ট্রাস্ট এলাকায় এক অগ্নিকাণ্ডে ২০টি ব্যাটারিভর্তি কনটেইনার পুড়ে গিয়েছিল। একদিনের ব্যবধানে আবারও বড় ধরনের এই অগ্নিকাণ্ড করাচির অগ্নি-নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি করেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...