বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহতদের অধিকাংশের বয়স ৩০ বছরের নিচে এবং তারা মূলত তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি। বিক্ষোভে নিহতের পাশাপাশি আহত হয়েছেন প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। হতাহতদের বড় একটি অংশ মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানের শিকার হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
ইরানি-জার্মান চক্ষু চিকিৎসক প্রফেসর আমির পারাস্তা সানডে টাইমসকে বলেন, “এটি এক নজিরবিহীন নৃশংসতা। এবার বিক্ষোভ দমনে মিলিটারি গ্রেডের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা নিহতদের মাথা, গলা এবং বুকে গুলি ও শার্পনেলের আঘাত দেখতে পেয়েছি।” প্রফেসর পারাস্তা আরও কয়েকজন চিকিৎসকের সহযোগিতায় এই ভয়াবহ সহিংসতার তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
আটটি বড় চক্ষু হাসপাতাল এবং ১৬টি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হতাহতের এই পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে। ইন্টারনেটের ওপর কড়াকড়ি থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসকরা নিষিদ্ধ স্টারলিংক ইন্টারনেটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংবাদমাধ্যমটি।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর শটগান ব্যবহার করায় প্রায় ৭০০ জন বিক্ষোভকারী তাদের চোখের দৃষ্টি হারিয়ে স্থায়ীভাবে অন্ধ হয়ে গেছেন। গত মাসের শেষ দিকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ ৭ ও ৮ জানুয়ারি চরম সহিংস রূপ ধারণ করে।
আন্দোলনের তীব্রতায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন হওয়ার শঙ্কা দেখা দিলে নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর অবস্থানে যায়। গতকাল এক বক্তব্যে খামেনি বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যুর কথা স্বীকার করলেও সঠিক সংখ্যা উল্লেখ করেননি। তিনি এই পরিস্থিতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উস্কানিকে দায়ী করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...