বিজ্ঞাপন
আফগান পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাবুলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপদ বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে পরিচিত 'শাহর-ই-ন'-তে অবস্থিত ওই রেস্তোরাঁয় বিস্ফোরণটি ঘটে। এলাকাটি বিভিন্ন দূতাবাস, অফিস ভবন এবং শপিং কমপ্লেক্সের জন্য পরিচিত। রেস্তোরাঁটি আব্দুল মজিদ নামে এক চীনা নাগরিক তাঁর স্ত্রী ও আব্দুল জব্বার মাহমুদ নামে এক আফগানির সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালনা করতেন।
আইএসআইএল তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের একজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী রেস্তোরাঁটির রান্নাঘরের কাছে এই বিস্ফোরণ ঘটায়। নিহত চীনা নাগরিকের নাম আইয়ুব বলে শনাক্ত করা হয়েছে। বাকি ছয়জন নিহত ব্যক্তি আফগানিস্তানের নাগরিক।
জঙ্গি গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থা 'আমাক নিউজ এজেন্সি' জানিয়েছে, চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের ওপর দেশটির সরকারের চলমান দমন-নিপীড়নের প্রতিশোধ হিসেবেই তারা চীনা নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, জিনজিয়াংয়ে প্রায় ১ কোটি উইঘুর মুসলিম বাস করেন, যাঁদের ওপর চীন সরকার নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে চীন বরাবরই এসব অভিযোগকে 'পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডা' বলে অস্বীকার করে আসছে।
আফগান পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হামলার শিকার এলাকাটি অত্যন্ত সুরক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে হামলাকারী সেখানে প্রবেশ করল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনার পর কাবুলের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
কাবুলে তালেবান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিদেশি নাগরিকদের লক্ষ্য করে আইএসের এটি অন্যতম বড় হামলা, যা আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং বিদেশি বিনিয়োগের পরিবেশকে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
সূত্র: আলজাজিরা
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...