ছবিটি এআই দ্বারা নির্মিত।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ইসরায়েলি সংসদ নেসেটে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে তিনি এই কড়া অবস্থান ব্যক্ত করেন।
নেতানিয়াহু তাঁর বক্তব্যে জানান, গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে ইসরায়েল। এই ধাপের প্রধান লক্ষ্য হলো হামাসকে পুরোপুরি নিরস্ত্র করা এবং গাজা উপত্যকাকে একটি স্থায়ী সামরিক মুক্ত অঞ্চল (Demilitarized Zone) হিসেবে গড়ে তোলা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “গাজায় তুরস্ক অথবা কাতারের কোনো সেনার কোনো ধরনের ভূমিকা থাকবে না।” তবে এই আন্তর্জাতিক বাহিনীতে অন্য কোন কোন দেশের সেনাসদস্যরা অন্তর্ভুক্ত হবেন, সে বিষয়ে ইসরায়েল এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গত বছর হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বাহিনীর মূল কাজ হবে গাজার বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি নতুন পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া। এই নতুন পুলিশ বাহিনী হামাসের বিকল্প হিসেবে গাজার অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করবে।
এদিকে গাজার এই প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনীর প্রধান হিসেবে মার্কিন সেনাবাহিনীর অভিজ্ঞ কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জাসপার জেফার্সকে নিয়োগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন এই জেনারেলের নেতৃত্বেই গাজার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কাঠামো ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নেতানিয়াহুর এই ঘোষণা এবং তুরস্ক-কাতারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন কোনো উত্তেজনার সৃষ্টি করে কি না, তা এখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের পর্যবেক্ষণের বিষয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...