গ্রাফিক্স : ভোরের বাণী।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প আগে ইরানে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দিলেও এখন পুনরায় তার সহযোগীদের তেহরানে হামলার সুনির্দিষ্ট ছক তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। হোয়াইট হাউস এবং পেন্টাগন (প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়) ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্টকে বেশ কিছু সামরিক ‘অপশন’ বা বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের (IRGC) অবকাঠামোতে সীমিত হামলা থেকে শুরু করে সরাসরি সরকার পতনের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা।
সামরিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের দিকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী ও যুদ্ধবিমান অগ্রসর হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এই সামরিক সরঞ্জামগুলো এর আগে ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের উদ্দেশ্যে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছিল। ট্রাম্পের নির্দেশে সেগুলোকে এখন কৌশলগতভাবে ইরানের সন্নিকটে নিয়ে আসা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধংদেহী অবস্থানের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এবার যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের হামলা চালায়, তবে ইরান পাল্টা আঘাতের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা রাখবে না।
আরাগচি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "হামলার সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের পাল্টা অভিযান শুরু হবে।"
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত ঠিক কোন বিকল্পটি বেছে নেবেন বা সরাসরি যুদ্ধে জড়াবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে ট্রাম্পের ‘চূড়ান্ত হামলা’র শব্দচয়ন এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সমরাস্ত্র মোতায়েন বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের বাজার এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...