ফাইল ছবি।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২১ জানুয়ারি) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই এই ‘বোর্ড অব পিস’-এর আজীবন বা অনির্দিষ্টকালের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য ব্যক্তিগতভাবে আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এই সদস্যপদের জন্য একটি অনন্য শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে; ট্রাম্প জানিয়েছেন, যেসব দেশ ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদান করবে, তারা এই সংগঠনের আজীবন সদস্য পদ লাভ করতে পারবে।
ইসরায়েলের আগে আরও বেশ কিছু দেশ এই জোটে যোগ দিয়েছে। এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনা, আজারবাইজান, বেলারুশ, হাঙ্গেরি, কাজাখস্তান, মরক্কো, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ভিয়েতনাম এই নতুন শান্তি বোর্ডে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। সর্বশেষ সদস্য হিসেবে ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্তি এই জোটের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিল।
ট্রাম্পের এই উদ্যোগকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনীতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক কূটনীতিক সতর্কতা জারি করে বলেছেন, ‘বোর্ড অব পিস’ ভবিষ্যতে জাতিসংঘের বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে যেতে পারে। স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্পও এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এই সংগঠনটি সম্ভবত জাতিসংঘের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে।
সমালোচকদের মতে, অর্থের বিনিময়ে সদস্যপদ এবং একক নেতৃত্বের এই মডেল আন্তর্জাতিক কূটনীতির দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত কাঠামোকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা এবং গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এই ‘শান্তি বোর্ড’ কতটুকু কার্যকর হবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। একদিকে ট্রাম্পের সমর্থকরা একে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে বিরোধীরা একে আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের কার্যকারিতা খর্ব করার একটি বাণিজ্যিক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...