বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় বিকেলে চিত্রল জেলার দামিল এলাকার সেরিগাল গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে ২০ ইঞ্চিরও বেশি তুষারপাত হওয়ার পর থেকেই ধস শুরু হয়। একপর্যায়ে নিকটবর্তী চারণভূমি থেকে বিপুল পরিমাণ তুষার গড়িয়ে নেমে এসে জনবিরল পাহাড়ি গ্রামের একটি একাকী বাড়িতে আঘাত হানে।
তুষারধস যখন বাড়িটিতে আঘাত হানে, তখন পরিবারের সদস্যরা ঘরের মাঝখানের কক্ষে বসে রাতের খাবার খাচ্ছিলেন। এতে বাড়ির কর্তা বাচা খান, তাঁর স্ত্রী, তিন ছেলে, দুই মেয়ে এবং দুই শ্যালিকা তুষারের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারান।
লোয়ার চিত্রলের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) হাসিম আজিম জানিয়েছেন, তুষার ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ৯টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চিত্রল উপত্যকায় ৩৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে টানা তুষারপাত হওয়ায় সেখানকার জনজীবন সম্পূর্ণ থমকে গেছে। বহু সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে এবং লোয়ারি টানেলের অ্যাপ্রোচ সড়ক দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকায় কয়েক হাজার যাত্রী আটকা পড়েন। শুক্রবার সন্ধ্যায় তুষার পরিষ্কার করার পর কিছু পথে যান চলাচল শুরু হলেও আপার ও লোয়ার চিত্রলের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এখনো বন্ধ রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ স্থানীয় বাসিন্দাদের অতি প্রয়োজন ছাড়া যাতায়াত না করার পরামর্শ দিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...