বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ক্ষতিগ্রস্ত রিকশাচালক দিলীপ রায়ের স্ত্রী মিনু বালা রায়কে পড়া ভিটায় বসে বিলাপ করতে। অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি। তার মতো দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অন্যরা। নতুন করে ঠাঁই গোজানোর চেষ্টায় তারা পোড়া ভিটার ছাই সরাচ্ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাত নয়টার দিকে গ্রামের দুলাল রায়ের বাড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় দিলীপ, দিপু, সুবাস, বিপুল, সুকুমার, চন্দন, প্রতিমা, হিমেল, প্রদীপ ও বেলাই রায়সহ ১১ পরিবারের ২৫টি ঘর, আসবাব পত্র, ঘরে রক্ষিত ধান-চাল পুড়ে যায়। অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রতিমা রায়ের দুইটি গরু মরা যায়। খবর পেয়ে নীলফামারী দমকল বাহিনীর দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
নীলফামারী ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মকুল হোসেন বলেন, দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভানো সম্ভব হয়। বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় আট লাখ টাকা।
ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকির দৈনিক ভোরের বাণীকে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে প্রদান করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সদর উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ। এ সময় তিনি প্রতি পরিবারের ত্রাণ মন্ত্রলায়রে দুইটি করে কম্বল, ১০ কেজি করে চাল, ডাল, তেল, চিনি, লবণসহ রান্নার বিভিন্ন মসলার একটি করে প্যাকেট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে বিতরণ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...