Logo Logo

তেঁতুলিয়ায় সরকারি বিজ্ঞাপন পেতে লটারি সিস্টেম চালু করেছে ইউএনও


Splash Image

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় সরকারি বিজ্ঞাপন প্রদানের ক্ষেত্রে এক নজিরবিহীন ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজ শাহীন খসরু। গতানুগতিক পদ্ধতির বাইরে গিয়ে তিনি লটারির মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন বন্টনের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, যা স্থানীয় সাংবাদিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।


বিজ্ঞাপন


উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বিজ্ঞাপন কোন পত্রিকা পাবে তা নির্ধারণে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই লটারি সিস্টেম চালু করা হয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় জাতীয় পর্যায়ের মানসম্মত ও জনপ্রিয় পত্রিকাগুলো যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে ‘দৈনিক ইনকিলাব’-এর তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম এই পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তরিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, বর্তমান ইউএনও দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে হাটবাজার, এডিপি কিংবা নিলাম সংক্রান্ত কোনো সরকারি বিজ্ঞাপন তাঁর পত্রিকায় দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, "ইউএনও নিজেকে সবার কাছে ‘ভালো’ সাজাতে এই নতুন লটারি পদ্ধতি চালু করেছেন। অথচ তেঁতুলিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের তালিকা অনুযায়ী তাদের নিজ নিজ পত্রিকার মান (জাতীয় ইংরেজি, বাংলা ও আঞ্চলিক) বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে বিজ্ঞাপন দিলে কোনো বিতর্কের সৃষ্টি হতো না।"

এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি লটারি পদ্ধতির পক্ষেই যুক্তি দেন। তিনি বলেন, "কাকে বাদ দিয়ে কাকে দেব? কাউকে বিজ্ঞাপন দিলে অন্যরা মনে করেন আমি হয়তো তাঁর ঘনিষ্ঠ। এই ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে এবং সমতা বজায় রাখতেই লটারি সিস্টেম চালু করা হয়েছে।"

প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে ইউএনও আরও জানান যে, সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক এবার এডিপি’র বিজ্ঞাপন পেয়েছেন এবং পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ম অনুযায়ী অন্যদের সুযোগ দেওয়া হবে।

সরকারি বিজ্ঞাপন বন্টনের এই ‘লটারি সিস্টেম’ তেঁতুলিয়ার প্রশাসনিক ইতিহাসে এক নতুন মাত্রা যোগ করলেও, পত্রিকার সার্কুলেশন ও মান বিবেচনা না করায় স্থানীয় সংবাদকর্মীদের একটি অংশের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...