বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে নড়াইল জেলার ৬ নেতাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ আদেশ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।
বহিষ্কৃত নেতারা হলেন- নড়াইল সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম পলাশ, নড়াইল পৌর বিএনপির সভাপতি তেলায়েত হোসেন, লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সুলতানুজ্জামান সেলিম, লোহাগড়া পৌর বিএনপির সভাপতি মিলু শরীফ, লোহাগড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিয়ার রহমান সান্টু এবং লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহাদুজ্জামান বাটু।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কৃত এসব নেতা নড়াইল-২ আসনে বিএনপির বহিষ্কৃত জেলা সাধারণ সম্পাদক ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলামকে প্রকাশ্যে সমর্থন দিচ্ছিলেন। তিনি ‘কলস’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
এর আগে গত ২১ জানুয়ারি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মো. মনিরুল ইসলামকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।
সদ্য বহিস্কৃত নড়াইল সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম পলাশ বলেন, দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে আমাদের কিছু করার নেই। তবে তৃণমূল নেতারা এ বিষয়ে ব্যথিত।
উল্লেখ্য, নড়াইল-২ সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ড. এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ (ধানের শীষ) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আতাউর রহমান বাচ্চু (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অধ্যক্ষ মাওলানা তাজুল ইসলাম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ (লাঙল), গণঅধিকার পরিষদের নুর ইসলাম (ট্রাক), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. শোয়েব আলী (ছড়ি) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন (জাহাজ)।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...