বিজ্ঞাপন
গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় পর্যন্ত কারাগারে মোট ৭২৪ জন কয়েদি অবস্থান করছিলেন। এর মধ্যে পুরুষ কয়েদি ৭০২ জন এবং নারী কয়েদি ২২ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য যে ৩৩ জন আবেদন করেছেন, তাদের মধ্যে ২৮ জন পুরুষ এবং ৫ জন নারী কয়েদি রয়েছেন।
উল্লেখ্য, আবেদনকারী এই ৩৩ জন কয়েদির প্রত্যেকের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায়।
গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক শওকত হোসেন মিয়া সাংবাদিকদের জানান, “কারাগারের ভেতরে ভোট প্রদানের জন্য আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছি। ভোটগ্রহণের জন্য কারাগারের অভ্যন্তরে দুটি গোপন বুথ তৈরি করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের হাতে পোস্টাল ব্যালট এসে পৌঁছায়নি। ব্যালট পাওয়ামাত্রই নিয়ম অনুযায়ী ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হবে।”
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামান জানিয়েছেন, কেবল কারাগার নয়, বরং জেলার বাইরে অবস্থানরত চাকুরিজীবী ও ভোটারসহ সর্বমোট ৯ হাজার ৯৯৮ জন ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। এর মধ্যেই কারাগারের এই ৩৩ জন কয়েদি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
কারাগারের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার এই সুযোগ কয়েদিদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...