বিজ্ঞাপন
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নির্বাচনী ইশতেহারের আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করা হয়।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর ইশতেহারের একটি ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা প্রদর্শন করা হয়। এরপর স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
অনুষ্ঠানে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াত জানায়, সরকার পরিচালনায় তাদের মোট ২৬টি অগ্রাধিকার এই ইশতেহারে স্থান পেয়েছে। প্রথম ভাগে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে। এর মধ্যে শাসনব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার, কার্যকর জাতীয় সংসদ, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়া এবং আইন ও বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
ইশতেহারের পরবর্তী অংশগুলোতে আত্মনির্ভর পররাষ্ট্রনীতি, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রবাসী কল্যাণ খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং যুবকদের নেতৃত্বে প্রযুক্তি বিপ্লবের এক সুদূরপ্রসারী রূপরেখা এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ইশতেহার প্রণয়নে তারা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন। অ্যাপভিত্তিক প্রচারণার মাধ্যমে প্রায় ৩৭ লাখের বেশি মানুষের মতামত গ্রহণ করা হয়েছে।
জামায়াত আমিরের দাবি, জনগণের প্রত্যাশা ও আধুনিক বাংলাদেশের বাস্তব চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়েই এই ‘জনতার ইশতেহার’ প্রস্তুত করা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...