নওগাঁয় এটিএম মাঠে নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বিজ্ঞাপন
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই দেশ শুধু মুসলমানদের নয়; বরং হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও সাঁওতালসহ সকল নাগরিকের সমান অধিকারের আবাসভূমি।
জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমার পুরোনো বন্ধুরা আমার ওপর মিথ্যার মিসাইল নিক্ষেপে শরিক হয়েছেন। আমি তাঁদের ক্ষমা করে দিলাম এবং দোয়া করি আল্লাহও যেন তাঁদের ক্ষমা করেন।”
তিনি আরও জানান, এই ধরনের কোনো অপপ্রচার বা অপচর্চার জবাব তিনি অতীতে দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না।
নাগরিকদের নিরাপত্তা ও অধিকারের নিশ্চয়তা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, দেশে এমন পরিবেশ তৈরি করা হবে যেখানে কোনো জালিম যেন নারী জাতির দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস না পায়।
জুলাই বিপ্লবের চেতনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ওই আন্দোলনে তরুণ-তরুণী ও কৃষক-শ্রমিকেরা রাজপথে নেমেছিলেন কাজের দাবিতে, বেকার ভাতার জন্য নয়। ক্ষমতায় গেলে যুবসমাজকে আধুনিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র ও জমিদারি প্রথার বিলুপ্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বংশপরম্পরায় নেতা হওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করা হবে। আমরা কেবল যোগ্যতা ও দেশপ্রেমকে মূল্যায়ন করব।”
তিনি আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশে যেন একজন রিকশাচালকের মেধাবী সন্তানও দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারে—এমন একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখেন তারা।
দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা দেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে বিদেশে পাচারকৃত সকল অর্থ ফেরত এনে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হবে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে এবং কাউকেই অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...