বিজ্ঞাপন
ভুক্তভোগী নাজমা বেগম গোপালগঞ্জ শহরের মান্দারতলা গুচ্ছগ্রামের মৃত সুলতান শেখের মেয়ে। তাঁর স্বামী শাহিন শেখ (পিতা: নবা শেখ) শহরের বেদগ্রাম হরিঙ্গা এলাকার বাসিন্দা।
নাজমা বেগমের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্বামী শাহিন শেখ দুই লাখ টাকা যৌতুকের জন্য তাঁর ওপর লাগাতার চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন।
নাজমা বেগম জানান, যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালেই তাঁর ওপর নেমে আসত অমানুষিক নির্যাতন। শাহিন শেখ তাঁকে প্রায়ই বলতেন, “দুই লাখ টাকা না দিলে তোকে আরও মারধর করব। তুই এমনিতেই আমার সংসার ছেড়ে চলে যাবি।” একপর্যায়ে নির্যাতনের মাত্রা সইতে না পেরে এবং জীবন রক্ষার তাগিদে তিনি স্বামীর বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন।
বর্তমানে নাজমা বেগম তাঁর দুই বছর বয়সী শিশু সন্তান আলামিন শেখকে নিয়ে শহরের নবীনবাগ এলাকায় আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানেও তিনি স্বামীর পক্ষ থেকে হুমকির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন। শিশু সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং নিজের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি এখন গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।
যৌতুকের দাবিতে এই বর্বরোচিত নির্যাতনের ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল ও এলাকাবাসী অবিলম্বে অভিযুক্ত স্বামী শাহিন শেখের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এ ধরনের সামাজিক ব্যাধি আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর শিশু সন্তানের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে তাঁর পরিবার। যৌতুকের মতো ঘৃণ্য অপরাধের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি এখন সর্বস্তরের মানুষের।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...