বিজ্ঞাপন
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড্ডায় আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ আসনের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, এই এলাকায় পর্যাপ্ত খেলার মাঠ, সরকারি স্কুল বা হাসপাতাল নেই। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার শতভাগই বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে মাত্র ১৫টি, যা এই বিশাল জনসংখ্যার জন্য যথেষ্ট নয়। বর্ষাকালে ৬০ শতাংশ রাস্তা সামান্য বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় এবং এলাকাটি চরম জলাবদ্ধতায় ভোগে।
তিনি এলাকার উন্নয়ন না হওয়ার পেছনে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও ভূমিদস্যুদের দায়ী করেন। তিনি অভিযোগ করেন, এলাকার শত শত মানুষের জমি এবং সরকারি খাস জমি দখল করে সাধারণ মানুষকে নিঃস্ব করা হয়েছে। পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা এবং রামপুরা ও শাহজাদপুর খালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জলাশয়গুলো বালু দিয়ে ভরাট করার কারণে এলাকার পরিবেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
নির্বাচিত হলে ভূমি হারানো মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ভূমিদস্যুদের সিন্ডিকেট ঢাকা-১১ থেকে চিরতরে নির্মূল করা হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের জমির ন্যায্য মূল্য অথবা জমি ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। একইসঙ্গে এই অঞ্চলের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যজোট কেবল জয়ের জন্যই নয়, আগামীর বাংলাদেশ পুনর্গঠনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য গঠিত হয়েছে। সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে থাকা জোটের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশকে দখলদার, আধিপত্যবাদ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার জন্য যুব সমাজকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
বক্তব্যের শেষে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, একটি মহল বাংলাদেশকে আবারও বিপদগ্রস্ত করার পরিকল্পনা করছে। তাদের সেই ষড়যন্ত্র পরাজিত করতে ১২ ফেব্রুয়ারি বিজয় নিশ্চিত করেই ঘরে ফিরতে হবে। ৫ আগস্টের মতো ১২ ফেব্রুয়ারিকেও সফল করতে তিনি দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...