বিজ্ঞাপন
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই স্পিকারের নাম চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।
সংসদীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের দীর্ঘ আইনি অভিজ্ঞতা ও সাংবিধানিক বিষয়ে গভীর জ্ঞান তাকে এই পদের দৌড়ে এগিয়ে রাখছে। সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধি ও আইনি ব্যাখ্যায় তাঁর দক্ষতা সংসদ পরিচালনায় সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, নরসিংদী-২ আসন থেকে চারবার নির্বাচিত অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের নামও সমান গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে। বিএনপির নীতি-নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য মন্ত্রিসভায় স্থান পেলেও প্রবীণ এই নেতা এখনো সরকারের বাইরে রয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হিসেবে তাঁর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার তাকে স্পিকার পদের জন্য অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার করে তুলেছে।
জাতীয় সংসদের স্পিকার পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব, যেখানে সংসদীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিরপেক্ষভাবে অধিবেশন পরিচালনা করা প্রধান চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদ পরিচালনায় আইনি জটিলতা নিরসন ও বিতর্ক ব্যবস্থাপনার সক্ষমতাকেই চূড়ান্ত নির্বাচনের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হিসেবে দেখা হতে পারে।
রাজনৈতিক মহলে বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। অভিজ্ঞ আইনজ্ঞ হিসেবে জয়নুল আবেদীন নাকি প্রবীণ ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় নেতা ড. আবদুল মঈন খান— কার ওপর শেষ পর্যন্ত দলীয় আস্থা ন্যস্ত হয়, সেটাই দেখার বিষয়।
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হবে ত্রয়োদশ সংসদের অভিভাবক কে হচ্ছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...