বিজ্ঞাপন
মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশ— কাতার, বাহরাইন, ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এর মধ্যে কাতারের আল উবেইদ ঘাঁটিটি মার্কিন বাহিনীর সবচেয়ে বড় সামরিক স্থাপনা।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের সংঘাত শুরু হলে এই ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল তেহরান।
অন্যদিকে, বাহরাইনের ঘাঁটিটি মূলত মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিটের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
পেন্টাগনের তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই আটটি ঘাঁটিতে বর্তমানে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। তবে কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু হলেও বাকি ছয়টি দেশের ঘাঁটিগুলো থেকে এখনও কোনো সেনা সরানো হয়নি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সম্প্রতি জাতিসংঘে ইরানি প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানির দেওয়া সতর্কবার্তার প্রেক্ষাপটেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পেন্টাগন।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে দেওয়া এক চিঠিতে ইরাভানি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে কোনো ধরনের আগ্রাসী অভিযান শুরু করে, তবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, সম্পদ এবং অবকাঠামোকে ইরানের সেনাবাহিনী ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করবে।
এই হুমকির পরপরই দুই ঘাঁটি থেকে সেনা সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ বিষয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড ‘সেন্টকোম’-এর কাছে নিউ ইয়র্ক টাইমসের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হলেও কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তবে এই সেনা অপসারণকে মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য বড় ধরনের সংঘাত এড়ানোর বা সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র : নিউইয়র্ক টাইমস, আনাদোলু এজেন্সি
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...