বিজ্ঞাপন
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় আমের মুকুল আসার প্রক্রিয়াটি একেবারে সঠিক সময়ে শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের রোগবালাই বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব না পড়ায় মুকুলের অবস্থা বেশ ভালো। বিশেষ করে হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালি ও গোপালভোগের মতো জনপ্রিয় জাতের গাছগুলোতে মুকুলের পরিমাণ অত্যন্ত সন্তোষজনক।
স্থানীয় আমচাষিরা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মুকুলের ঘনত্ব অনেক বেশি। নিয়মিত পরিচর্যা, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ এবং শীতের তীব্রতা তুলনামূলক কম থাকায় মুকুল আসার পরিবেশ ছিল চমৎকার। পোকার আক্রমণ ঠেকাতে অনেক চাষি ইতোমধ্যে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বালাইনাশক ব্যবহার শুরু করেছেন।
গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুকুল ঝরা রোধে কৃষকদের এই সময়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা স্বাভাবিক থাকলে ফলন আশাতীত ভালো হবে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা কৃষকদের নিয়মিত বাগান পর্যবেক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছেন।
প্রকৃতি যদি সহায় থাকে এবং বড় কোনো ঝড়-বৃষ্টি বা রোগবালাই হানা না দেয়, তবে গোপালগঞ্জে এবারের আমের মৌসুম অত্যন্ত সমৃদ্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে বাজারে আমের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি চাষিরাও তাদের কাঙ্ক্ষিত মুনাফা পাবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...