Logo Logo

রোহিঙ্গা সংকটে নতুন মোড়

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির অভিনন্দন


Splash Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, মিয়ানমারের পতাকা ও আরাকান আর্মির পতাকা (নিচে)। ছবি: সংগৃহীত

নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সুয়ে। একই সঙ্গে ইউনাইটেড লীগ অব আরাকান (ইউএলএ)-এর চেয়ারম্যান ও আরাকান আর্মির প্রধান ত্বান ম্রাত নাইংও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিশেষ অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। আরাকান সেনার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানোর ঘটনা এটিই প্রথম।


বিজ্ঞাপন


মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সুয়ে তার বার্তায় ঢাকা ও নেপিডোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সংলাপ ও সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

অন্যদিকে, ইউএলএ চেয়ারম্যান ত্বান ম্রাত নাইং তার বার্তায় উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের বাস্তবসম্মত, টেকসই এবং কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করতে তাদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বিদ্যমান সদিচ্ছার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ ও আরাকানের মধ্যে বন্ধুত্বের একটি নতুন পথ তৈরি করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এই অভিনন্দন বার্তাগুলোকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের নতুন সরকারের কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপের ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই ঘটনাকে ‘নজিরবিহীন’ হিসেবে অভিহিত করে জানিয়েছেন, এটি দীর্ঘস্থায়ী ও অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগের ফল। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, শান্তিপূর্ণ সমাধানে বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি উভয় পক্ষের আস্থা তৈরি হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানও সম্প্রতি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার এই ইস্যুতে উভয় পক্ষের সঙ্গেই নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছে। বাংলাদেশ বর্তমানে রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত ও টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী দেশগুলোর সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

সম্প্রতি রোহিঙ্গারা রাখাইন রাজ্যে তাদের পৈতৃক ভিটায় ফিরে যাওয়ার অধিকারের দাবি আরও জোরালো করেছে। গত বছরের আগস্টে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত বহু-অংশীজন সংলাপ এবং ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনেও তারা একই আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও এখন রোহিঙ্গাদের নিজস্ব মতামত গ্রহণ ও প্রত্যাবাসনের অধিকারকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...