বিজ্ঞাপন
সোমবার (০৯ মার্চ) দুপুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের গণ-আবেদনের প্রেক্ষিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ক্লিনিকটির মালিক ডা. সুব্রত হালদারের খামখেয়ালিপনায় সৃষ্ট জনদুর্ভোগে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে অতিষ্ঠ ছিলেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ক্লিনিকের বর্জ্য এবং সেফটি ট্যাংকি থেকে আসা ময়লা পানি সরাসরি পাশের খালে ফেলার কারণে পুরো এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। স্থানীয় কয়েকশ বাসিন্দার গণ-আবেদনের বিষয়টি সাংবাদিকরা পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আজাদুর রহমানকে অবগত করলে তিনি একটি দল নিয়ে ঘটনাস্থলে সরেজমিনে তদন্তে যান।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, ক্লিনিকের সেফটি ট্যাংকি থেকে একটি পাইপ সরাসরি পাশের খালে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ময়লা পানি খালে পড়ে পানি দূষিত করার পাশাপাশি পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছিল। পৌরসভার প্রতিনিধি দল তাৎক্ষণিকভাবে ওই পাইপের মুখ বন্ধ করে দেয় এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ড পুনরাবৃত্তি না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার কারণে তারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন। দুর্গন্ধে এলাকায় বসবাস করা দায় হয়ে পড়েছিল। তারা এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
গোপালগঞ্জ পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আজাদুর রহমান বলেন, “আমরা সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। জননী ক্লিনিকের সেফটি ট্যাংকির ময়লা সরাসরি খালে ফেলা হচ্ছিল, যা পরিবেশের জন্য চরম ক্ষতিকর। আমরা তৎক্ষণাৎ পাইপটি বন্ধ করে দিয়েছি। পরিবেশ দূষণ রোধে পৌরসভা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।”
এলাকাবাসী আশা করছেন, পৌর কর্তৃপক্ষের এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে এবং জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় তারা নিয়মিত তদারকি অব্যাহত রাখবেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...