ইরান ফুটবল টিম।
বিজ্ঞাপন
মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র সংঘাত ও সম্প্রতি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং শোকাবহ পরিস্থিতিতে ইরান সরকার এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ ডোনিয়ামালি বলেন, "যে সরকার আমাদের নেতাকে হত্যা করেছে, তাদের দেশে গিয়ে ফুটবল খেলার মতো পরিস্থিতি বর্তমানে নেই। আমাদের ওপর স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এতে হাজারো মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এই শোক ও সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলা সম্ভব নয়।"
আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ড ও বেলজিয়াম এবং সিয়াটলে মিসরের বিপক্ষে ইরানের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এর আগে জানিয়েছিলেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান দলকে স্বাগত জানানোর বিষয়ে তাকে আশ্বস্ত করেছেন। কিন্তু পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ইরানের সাম্প্রতিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পরিস্থিতি আমূল বদলে গেছে। বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও কুয়েতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইরান শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিলে টুর্নামেন্টের গ্রুপ বিন্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হতে পারে বলে মনে করছেন ফুটবল সংশ্লিষ্টরা। ফিফা এবং আয়োজক দেশগুলো এখন ইরানের চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক চিঠির অপেক্ষায় রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...