বিজ্ঞাপন
স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সমুদ্র থেকে মাছ ধরে ফেরার পর ট্রলার ভেদে ট্রিপ প্রতি ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা দাবি করছে নৌ-পুলিশ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে জেলেরা আড়ত মালিকদের মাধ্যমে এই টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাছ বিক্রির লভ্যাংশের নির্দিষ্ট একটি শতাংশও পুলিশকে দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ভুক্তভোগী জেলে জানান, নৌ-পুলিশের চাহিদা অনুযায়ী চাঁদা দিতে দেরি বা অস্বীকার করলে তাদের ওপর নেমে আসে নির্মম নির্যাতন।
অভিযোগ রয়েছে, চাঁদা না দিলে জেলেদের মারধর করা, জোরাজুরি করে কাঁচা মাছ খাইয়ে দেওয়া এবং মূল্যবান মাছ ধরার জাল পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে। এ ছাড়া অকারণে বিভিন্ন মামলায় আসামি করে জেলহাজতে পাঠানোর ভয় দেখিয়েও নিয়মিত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পায়রা বন্দর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নয়ন কারকুন চাঁদাবাজির বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, “চাঁদা আদায়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা কথা। জেলেদের পক্ষ থেকে আনা এসব অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।”
নৌ-পুলিশের এমন কর্মকাণ্ডে সাধারণ জেলেদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। উপকূলের মৎস্যজীবীরা এই হয়রানি বন্ধে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...