বিজ্ঞাপন
জেলার নবীনবাগ, ঘোনাপাড়া, চাপালপাড়া, ভাটিয়াপাড়া, চর গোবরা ও মোল্লারহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ঈদের আগে এমন সহায়তা পেয়ে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাধারণ অসহায় মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের জন্যও আলাদাভাবে চালের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মুন্সি রাকিবুজ্জামানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে স্থানীয়দের সহযোগিতায় একটি সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে পর্যায়ক্রমে এই চাল বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এম বদিউজ্জামান প্রতি বছরই ঈদের আগে এভাবে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন, যা অনেক দরিদ্র পরিবারকে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ করে দেয়।
এলাকাবাসীর মতে, অ্যাডভান্স জামান সেন্টারের কর্ণধার এম বদিউজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকলেও নাড়ির টানে এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর পক্ষ থেকে মুন্সি রাকিবুজ্জামান সারাবছরই দুস্থদের খোঁজখবর রাখেন এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করেন।
নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে এম বদিউজ্জামান বলেন, প্রবাসে থাকলেও তাঁর মন পড়ে থাকে নিজ এলাকায়। এলাকার মানুষের কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে পারাই তাঁর বড় আনন্দ। সামর্থ্য অনুযায়ী ভবিষ্যতেও এমন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ব্যক্তিগত পর্যায়ের এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির অনন্য বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এটি সমাজের অন্য বিত্তবানদেরও আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...